বাংলাদেশে ইসলামী জ্ঞানচর্চা ও ধর্মীয় শিক্ষার দীর্ঘ ঐতিহ্য থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও মৌলিক ইসলামী গবেষণার ক্ষেত্রে এখনো একটি শক্তিশালী, টেকসই ও সুপরিকল্পিত গবেষণা-অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি।

বিচ্ছিন্নভাবে কিছু উদ্যোগ থাকলেও সেগুলো এখনো এমন একটি জাতীয় গবেষণা-ধারা সৃষ্টি করতে পারেনি, যা দীর্ঘমেয়াদে নতুন জ্ঞান উৎপাদন, সমসাময়িক সমস্যার ইসলামী বিশ্লেষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের গবেষক তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে একসময় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ইসলামী গবেষণা, অনুবাদ, সম্পাদনা ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিল। অভিধান, বিশ্বকোষ, মৌলিক গবেষণাগ্রন্থ এবং বিভিন্ন অনুবাদ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের ইসলামী জ্ঞানচর্চায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধিক ঐতিহ্য নির্মাণে অবদান রেখেছে।

তবে সাম্প্রতিক প্রায় দেড় দশকে সেই ধারাবাহিকতা আর বজায় থাকেনি। বর্তমানে কিছু প্রকাশনা কার্যক্রম অব্যাহত থাকলেও মৌলিক গবেষণা, দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা-প্রকল্প এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিযোগিতাযোগ্য একাডেমিক উদ্যোগের সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত।

প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে একটি গবেষণা-সাময়িকী (ত্রৈমাসিক) নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে, যা বাংলাদেশের ইসলামী গবেষণা-চর্চায় একটি ইতিবাচক অবদান রেখে চলেছে।

তবে আন্তর্জাতিক একাডেমিক পরিমণ্ডলে অধিক গ্রহণযোগ্যতা ও দৃশ্যমানতা অর্জনের জন্য জার্নালটিকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড—যেমন স্বীকৃত আন্তর্জাতিক ইনডেক্সিং ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তি, প্রতিটি প্রবন্ধের জন্য DOI (Digital Object Identifier) প্রদান এবং বৈশ্বিক গবেষণা-প্রকাশনার অন্যান্য মানদণ্ড—অনুসারে উন্নীত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়।

যতদূর জানা যায়, এসব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যে কোনো অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়। ফলে আন্তর্জাতিক গবেষণা-অঙ্গনে, এমনকি দেশের মধ্যেও জার্নালটির প্রভাব, দৃশ্যমানতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি।

বেসরকারি পর্যায়েও কিছু মূল্যবান উদ্যোগ লক্ষ করা যায়।

বাংলাদেশ ইসলামিক ল’ রিসার্চ সেন্টার ইসলামী আইন ও গবেষণার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কিছু মৌলিক কাজ সম্পাদন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে নিয়মিত ‘ইসলামী আইন ও বিচার পত্রিকা’ (ত্রৈমাসিক) প্রকাশিত হচ্ছে, যেখানে আন্তর্জাতিক একাডেমিক মানদণ্ড অনুসরণের আন্তরিক প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়। জার্নালটি DOI নিবন্ধনপ্রাপ্ত, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইনডেক্সিং ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত এবং স্কোপাস (Scopus)-এ অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

তবে এ সম্ভাবনাময় উদ্যোগটি নানা বাস্তব সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলছে। পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাব, প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবলের সংকট এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে গবেষণা, প্রকাশনা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমকে কাঙ্ক্ষিত পরিসরে সম্প্রসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসলামী আইন ও গবেষণার ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে পরিচালিত উল্লেখযোগ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (BIIT) অন্যতম।

প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা, প্রকাশনা এবং বৌদ্ধিক সংলাপের ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে হলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এর উদ্যোগে Bangladesh Journal of Integrated Thoughts (BJIT) নামে একটি দ্বিবার্ষিক, পিয়ার-রিভিউড গবেষণা জার্নাল নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। জার্নালটি DOI-নিবন্ধনপ্রাপ্ত এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইনডেক্সিং ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত। তবে আন্তর্জাতিকভাবে সর্বাধিক স্বীকৃত ডেটাবেজ—যেমন Scopus বা Web of Science Core Collection—এ অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য এখনো অর্জিত হয়নি।

একই সঙ্গে লক্ষ করা যায়, জাতীয় প্রয়োজনের তুলনায় বৃহৎ পরিসরের গবেষণা-প্রকল্প, দীর্ঘমেয়াদী গবেষণা কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতাভিত্তিক একাডেমিক উদ্যোগের সংখ্যা এখনো সীমিত। এর পেছনে অর্থায়ন, গবেষণা-অবকাঠামো, দক্ষ মানবসম্পদ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাসহ নানা বাস্তব কারণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিশ্চিত করা গেলে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইসলামী গবেষণায় আরও বিস্তৃত ও কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

অন্যদিকে,

দেশের বড় বড় ইসলামী সংগঠনেরও এখন পর্যন্ত গবেষণাকেন্দ্রিক দীর্ঘমেয়াদি ও সুসংগঠিত উদ্যোগ খুব বেশি দৃশ্যমান নয়। রাজনৈতিক, সাংগঠনিক ও দাওয়াহভিত্তিক কার্যক্রমে তাদের সক্রিয় উপস্থিতি থাকলেও স্বাধীন গবেষণা, জ্ঞান উৎপাদন, গবেষক তৈরির প্রকল্প কিংবা আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা-প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার বিষয়ে প্রত্যাশিত মাত্রার বিনিয়োগ ও পরিকল্পনা এখনো সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়নি। অথচ দীর্ঘস্থায়ী সামাজিক ও বৌদ্ধিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য গবেষণায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই।

আরও একটি মৌলিক সমস্যা হলো- গবেষণা ও প্রকাশনার বৃত্তবন্দিত্ব। দেশের অধিকাংশ গবেষণা ও প্রকাশনা উদ্যোগ কোনো না কোনো আদর্শিক, প্রাতিষ্ঠানিক বা সাংগঠনিক গণ্ডির মধ্যে আবর্তিত হয়। ফলে সেই নির্দিষ্ট গণ্ডির বাইরে অবস্থানকারী গবেষক বা লেখকের মৌলিক কাজ প্রকাশ, প্রচার এবং পাঠকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ অত্যন্ত সীমিত হয়ে পড়ে। যদিও এর ব্যতিক্রম কিছু রয়েছে, তবুও স্বাধীন, মুক্ত ও বহুমাত্রিক ইসলামী গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ এখনো গড়ে ওঠেনি।

গবেষণার আরেকটি বড় অন্তরায় হলো, পৃষ্ঠপোষকতার সংকট। একটি মৌলিক গবেষণাগ্রন্থ প্রস্তুত করতে বছরের পর বছর সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় হয়। কিন্তু সেই বিনিয়োগের আর্থিক প্রত্যাবর্তন অনিশ্চিত ও দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় বাণিজ্যিক প্রকাশকদের একটি বড় অংশ স্বাভাবিকভাবেই দ্রুত বিক্রয়যোগ্য বইয়ের প্রতি বেশি আগ্রহী হন। এটি কেবল বাংলাদেশের বাস্তবতা নয়; বিশ্বব্যাপী প্রকাশনা শিল্পেও একই প্রবণতা দেখা যায়।

তবে গবেষণামূলক গ্রন্থের জন্য গবেষণা তহবিল, অনুদান, ওয়াক্‌ফভিত্তিক অর্থায়ন, ফাউন্ডেশন কিংবা এন্ডাউমেন্ট-সমর্থিত প্রকাশনা ব্যবস্থা গড়ে না উঠলে মৌলিক গবেষণা দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকা কঠিন।

ডিজিটাল যুগ এই সংকটকে আরও জটিল করেছে। অনেক ক্ষেত্রে গবেষণার গভীরতা, তথ্যনিষ্ঠতা কিংবা মৌলিকত্বের চেয়ে লেখকের সামাজিক পরিচিতি, অনলাইন উপস্থিতি বা জনপ্রিয়তা প্রকাশনা-বাজারে অধিক প্রভাব বিস্তার করছে। ফলে প্রচারের আলোয় না থাকা বহু মেধাবী গবেষকের মূল্যবান কাজ পাঠকের কাছে পৌঁছানোর আগেই আড়ালে থেকে যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন শুধু গবেষক নন; ক্ষতিগ্রস্ত হয় সমাজের জ্ঞানভাণ্ডারও।

একজন গবেষকের সবচেয়ে বড় প্রেরণা তাঁর গবেষণার যথাযথ মূল্যায়ন এবং তা সমাজের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ। কিন্তু বছরের পর বছর অপেক্ষার পরও যদি একটি গবেষণাগ্রন্থ প্রকাশের নিশ্চয়তা না থাকে, অথবা প্রকাশের পর কার্যকর প্রচার ও বিতরণব্যবস্থা গড়ে না ওঠে, তাহলে অনেক গবেষক স্বাভাবিকভাবেই নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে বই প্রকাশ করাও অধিকাংশ গবেষকের জন্য বাস্তবসম্মত সমাধান নয়।

এই বাস্তবতার প্রতিফলন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাতেও দেখা যায়। আমার ‘তুলনামূলক ফিকহ’-এর প্রথম খণ্ড এবং দুই খণ্ডের তাফসীর প্রকাশের পর বিভিন্ন মহল থেকে পরবর্তী খণ্ডগুলোর জন্য বারবার অনুরোধ এসেছে। কিন্তু বৃহৎ গবেষণা-প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষকতা ও আর্থিক সহায়তার অভাবে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এটি কেবল ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয়; বরং বহু গবেষকের নীরব বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক এম.ফিল., পিএইচ.ডি. এবং অন্যান্য গবেষণা সম্পন্ন হয়। নিঃসন্দেহে এসব গবেষণার মধ্যে মূল্যবান কাজও রয়েছে। তবে প্রায়ই এমন সমালোচনা শোনা যায় যে, উল্লেখযোগ্যসংখ্যক গবেষণা এখনো গতানুগতিক বিষয় নির্বাচন, সীমিত গবেষণা-পরিসর কিংবা ডিগ্রি অর্জন ও পদোন্নতিকেন্দ্রিক প্রয়োজন পূরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

ফলে গবেষণার একটি বড় অংশ সমাজ, রাষ্ট্র ও নীতিনির্ধারণে প্রত্যাশিত অবদান রাখতে পারে না। সমকালীন বৌদ্ধিক, নৈতিক, আইনগত, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে দীর্ঘমেয়াদি, আন্তঃবিষয়ক এবং নীতিনির্ধারণমূলক গবেষণার সংখ্যা খুবই কম।

অথচ বর্তমান বিশ্বে ইসলামী গবেষণার প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি।

দ্রুত পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় শরীআহভিত্তিক আইন ও বিচারব্যবস্থা, সমসাময়িক আইনগত চ্যালেঞ্জ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence), বায়োএথিক্স, পরিবেশ ও জলবায়ু সংকট, ইসলামিক ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স, মানবাধিকার, সংখ্যালঘু অধিকার, পরিবারব্যবস্থা, প্রযুক্তিনৈতিকতা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, বৈশ্বিক আইন, সুশাসন এবং সমকালীন রাষ্ট্রচিন্তাসহ অসংখ্য বিষয়ে উচ্চমানের, মৌলিক ও আন্তঃবিষয়ক ইসলামী গবেষণা আজ সময়ের অপরিহার্য দাবি।

এসব ক্ষেত্রে কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা নয়; বরং নীতিনির্ধারণ, আইন প্রণয়ন, বিচারিক অনুশীলন এবং সমকালীন মানবসমস্যার কার্যকর সমাধান উপস্থাপনের লক্ষ্যে গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান উৎপাদন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশেরও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে, যদি গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ, অর্থায়ন ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা যায়।

এ কারণে এখন সময় এসেছে ব্যক্তি নয়; প্রতিষ্ঠাননির্ভর গবেষণা-সংস্কৃতি গড়ে তোলার। প্রয়োজন জাতীয় গবেষণা তহবিল, স্বাধীন গবেষকদের জন্য ফেলোশিপ ও অনুদান, গবেষণাভিত্তিক ওয়াক্‌ফ ও এন্ডাউমেন্ট, আন্তর্জাতিক মানের পিয়ার-রিভিউ জার্নাল, দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় গবেষণা-প্রকল্প, শক্তিশালী ডিজিটাল আর্কাইভ এবং গবেষণা-প্রকাশনার আধুনিক অবকাঠামো। একই সঙ্গে এমন একটি মুক্ত বৌদ্ধিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে লেখকের পরিচয় নয়; তাঁর গবেষণার মানই হবে মূল্যায়নের প্রধান মানদণ্ড।

একটি জাতির প্রকৃত শক্তি তার অর্থনৈতিক সক্ষমতার পাশাপাশি জ্ঞান উৎপাদনের ক্ষমতার ওপরও নির্ভর করে। গবেষণার অবহেলা কেবল কিছু বইয়ের ঘাটতি সৃষ্টি করে না; এটি একটি জাতির চিন্তার ভাণ্ডারকে দরিদ্র করে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দিকনির্দেশনাহীন করে এবং জ্ঞানভিত্তিক নেতৃত্বের সম্ভাবনাকে ক্ষীণ করে দেয়।

তাই বাংলাদেশ যদি ইসলামী গবেষণায় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিসরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অর্জন করতে চায়, তবে এখনই গবেষণাকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। সময়োপযোগী পৃষ্ঠপোষকতা, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এবং মুক্ত বৌদ্ধিক পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশের ইসলামী গবেষণা নিঃসন্দেহে নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছাতে সক্ষম হবে।